আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ – দশম শ্রেণির সম্পূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর ও সাজেশন | Gyanchokkhu Question Answer

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য আশাপূর্ণা দেবীর লেখা ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বড় প্রশ্ন (৫ নম্বর), সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (SAQ) এবং বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) উত্তরসহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। এই পোস্টে তপনের জ্ঞানচক্ষু খুলে যাওয়ার কারণ, নতুন মেসোর চরিত্র, গল্পের নামকরণ, অলৌকিক ঘটনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রশ্ন ও উত্তর তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বিশেষভাবে সাহায্য করবে। পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়লে ‘জ্ঞানচক্ষু’ অধ্যায় থেকে তোমাদের আর কোনো সংশয় থাকবে না।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো জ্ঞানচক্ষু

১. ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পের রচয়িতা
(A) মহাশ্বেতা দেবী
(B) আশাপূর্ণা দেবী
(C) অনিমা দেবী
(D) লীলা মজুমদার
Ans: (A) মহাশ্বেতা দেবী

২. ‘কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।’- কথাটা হল
(A) তপনের মামা একজন লেখক
(B) তপনের লেখা ছাপা হয়েছে
(C) তপনের মেসো একজন লেখক
(D) সবাই তপনের গল্প শুনে হেসেছে
Ans: (C) তপনের মেসো একজন লেখক

২. ‘চোখ মার্বেল হয়ে যাওয়া’ – এর অর্থ হল
(A) চোখ পাকানো
(B) চোখ গোল গোল হয়ে যাওয়া
(C) অবাক হয়ে যাওয়া
(D) রেগে যাওয়া
Ans: (C) অবাক হয়ে যাওয়া

৩. তপনের নতুন মেসোমশাই ছিলেন একজন
(A) অভিনেতা
(B) চিত্রপরিচালক
(C) খেলোয়াড়
(D) লেখক
Ans: (D) লেখক

৪. তপনের লেখক মেসোমশাই হলেন তার
(A) বড়োমাসির স্বামী
(B) মেজোমাসির স্বামী
(C) সেজোমাসির স্বামী
(D) ছোটোমাসির স্বামী
Ans: (D) ছোটোমাসির স্বামী

৫. তিনি নাকি বই লেখেন। তিনি হলেন
(A) তপনের নতুন মেসোমশাই
(B) তপনের বাবা
(C) তপন
(D) ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার সম্পাদক
Ans: (A) তপনের নতুন মেসোমশাই

৬. অনেক বই ছাপা হয়েছে
(A) তপনের
(B) নতুন মেসোমশাইয়ের
(C) ছোটোমাসির
(D) মেজোকাকুর
Ans: (B) নতুন মেসোমশাইয়ের

৭. তপন কখনো এত কাছ থেকে –
(A) জলজ্যান্ত ভুত দেখেনি
(B) সমুদ্র দ্যাখেনি
(C) জলজ্যান্ত লেখক দ্যাখেনি
(D) ক্রিকেট ম্যাচ দ্যাখেনি।
Ans: (C) জলজ্যান্ত লেখক দ্যাখেনি

৮. তপনের নতুন মেসোমশাই খবরের কাগজ নিয়ে গল্প আর তর্ক করেন –
(A) ছোটোমামাদের মতোই
(B) মা – মাসিদের মতোই
(C) কাগজের সম্পাদকের মতোই
(D) সাংবাদিকদের মতোই
Ans: (A) ছোটোমামাদের মতোই

৯. ঠিক ছোটোমামাদের মতোই খবরের কাগজের সব কথা নিয়ে প্রবল আড্ডা – তর্কের পর শেষপর্যন্ত ‘এ দেশের কিছু হবে না’ বলে মেসোমশাই—
(A) ঘুমিয়ে পড়েন
(B) লিখতে বসেন
(C) সিনেমা দেখতে বা বেড়াতে চলে যান
(D) সিগারেট ধরান
Ans: (C) সিনেমা দেখতে বা বেড়াতে চলে যান

১০. নতুন মেসোকে দেখে তপনের –
(A) জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল
(B) দমবন্ধ হয়ে এল
(C) আনন্দ হল
(D) গলা বুজে এল
Ans: (A) জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল

১১. তপনের অবাক হওয়ার কারণ ছিল –
(A) সে কখনও মেসোমশাইকে দ্যাখেনি
(B) সে কখনও কোনো লেখককে দ্যাখেনি
(C) সে নিজে গল্প লিখে ফেলেছিল
(D) তার গল্প ছাপা হয়েছিল
Ans: (B) সে কখনও কোনো লেখককে দ্যাখেনি

১২. ‘এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের।’ – তপনের সন্দেহের বিষয়টি হল –
(A) লেখকরা ভারি অহংকারী হয়।
(B) ছোটোমাসির বিয়েতে আদৌ কোনো ঘটা হয়েছিল কিনা
(C) নতুন মেসোমশাই প্রকৃতই একজন লেখক কিনা
(D) লেখকরা তপনের বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর মতো সাধারণ মানুষ
Ans: (D) লেখকরা তপনের বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর মতো সাধারণ মানুষ

১৩. তপন মূলত মামার বাড়ি এসেছে—
(A) গরমের ছুটি উপলক্ষ্যে
(B) পুজোর ছুটি কাটাতে
(C) বিয়েবাড়ি উপলক্ষ্যে
(D) ‘সন্ধ্যাতারা’-র প্রকাশ উপলক্ষ্যে
Ans: (C) বিয়েবাড়ি উপলক্ষ্যে

১৪. ‘তাই মেসো শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন কদিন।’ — মেসোর শ্বশুরবাড়িতে এসে থাকার কারণ
(A) তাঁর গরমের ছুটি চলছিল
(B) তাঁর সেখানে কাজ ছিল
(C) তিনি নিরিবিলিতে গল্প লিখতে চেয়েছিলেন
(D) তপন তাঁকে থাকতে অনুরোধ করেছিল
Ans: (A) তাঁর গরমের ছুটি চলছিল

১৫. ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে গরমের ছুটি চলছিল—
(A) তপনের
(B) ছোটোমাসির
(C) ছোটোমেসোর
(D) তপন ও ছোটোমেসোর
Ans: (C) ছোটোমেসোর

১৬. তপনের মেসোমশাই পেশাগত দিক থেকে যা ছিলেন—
(A) রাজনীতিবিদ
(B) চিকিৎসক
(C) সম্পাদক
(D) অধ্যাপক
Ans: (D) অধ্যাপক

১৭. আর সেই সুযোগেই দেখতে পাচ্ছে তপন … এখানে যে – সুযোগের কথা বলা হয়েছে , তা হল—
(A) মামার বাড়িতে থাকার সুযোগ
(B) গল্প লেখার সুযোগ
(C) জলজ্যান্ত লেখককে কাছ থেকে দেখার সুযোগ
(D) ছুটির সুযোগ
Ans: (C) জলজ্যান্ত লেখককে কাছ থেকে দেখার সুযোগ

১৮. “আর সেই সুযোগেই দেখতে পাচ্ছে তপন যা দেখতে পাচ্ছে, তা হল –
(A) গল্প লেখা কত কঠিন
(B) চেনাজানা না থাকলে গল্প ছাপানো যায় না
(C) নতুন মেসোমশাই ভারি ঘুমকাতুরে
(D) লেখক মানে কোনো আকাশ থেকে পড়া জীব নয়
Ans: (D) লেখক মানে কোনো আকাশ থেকে পড়া জীব নয়

১৯. তপন প্রথম কী লিখেছিল ?
(A) গল্প
(B) উপন্যাস
(C) প্রবন্ধ
(D) কবিতা
Ans: (A) গল্প জ্ঞানচক্ষু

২০. তপনের লেখা ছোটোমেসোর হাতে পৌঁছে দেয়—
(A) তপন নিজেই
(B) তপনের মা
(C) তপনের ছোটোমামা
(D) তপনের ছোটোমাসি
Ans: (D) তপনের ছোটোমাসি

২১. ‘আর সেই সুযোগেই দিব্যি একখানি দিবানিদ্রা দিচ্ছিলেন।’ সুযোগটি হল —
(A) গরমের ছুটি
(B) পুজোর ছুটি
(C) বিয়ের জন্য নেওয়া ছুটি
(D) বেড়াতে যাওয়ার ছুটি
Ans: (A) গরমের ছুটি

২২. ‘ছোটোমাসি সেই দিকে ধাবিত হয়।’— এখানে ‘সেইদিকে’ বলতে বোঝানো হয়েছে—
(A) তিনতলার সিঁড়ির দিকে
(B) ছোটোমেসোর দিকে
(C) তপনের পড়ার ঘরের দিকে
(D) মেজোকাকুর দিকে
Ans: (B) ছোটোমেসোর দিকে

২৩. তপনের ছোটোমাসি যখন ছোটোমেসোর দিকে ধাবিত হয়, মেসো তখন
(A) লিখছিলেন
(B) দিবানিদ্রা দিচ্ছিলেন
(C) টিভি দেখছিলেন
(D) খবরের কাগজ পড়ছিলেন
Ans: (B) দিবানিদ্রা দিচ্ছিলেন

২৪. ‘তপন অবশ্য ‘না – আ – আ’ করে প্রবল আপত্তি তোলে।’ তপন যে বিষয়ে আপত্তি তোলে, তা হল
(A) তার লেখা গল্প ছোটোমেসোকে দেখানো
(B) অসময়ে ছোটোমেসোর ঘুম ভাঙানো
(C) ছোটোমাসির শ্বশুরবাড়ি ফিরে যাওয়া
(D) তার লেখা ছাপতে দেওয়া
Ans: (A) তার লেখা গল্প ছোটোমেসোকে দেখানো

২৫. মাসির এই হইচইতে মনে মনে পুলকিত হয়
(A) তপন
(B) মা
(C) ছোটোমেসো
(D) ছোটোমামা
Ans: (A) তপন জ্ঞানচক্ষু

৩০. ‘তোমার গল্প তো দিব্যি হয়েছে।’ এখানে বক্তা হল –
(A) তপন
(B) ছোটোমামা
(C) ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার সম্পাদক
(D) ছোটোমেসো
Ans: (D) ছোটোমেসো

২৭. ‘রত্নের মূল্য জহুরির কাছেই।’— এখানে ‘রত্ন’ ও ‘জহুরি’ হল –
(A) তপন ও ছোটোমাসি
(B) তপন ও ছোটোমেসো
(C) তপন ও ‘সন্ধ্যাতারা’-র সম্পাদক
(D) তপন ও মেজোকাকু’
Ans: (B) তপন ও ছোটোমেসো

২৮. মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে সেটা।’— উপযুক্ত কাজটি হল –
(A) গল্প লিখে দেওয়া
(B) তপনকে গল্প লেখা শিখিয়ে দেওয়া
(C) তপনের গল্প ছাপিয়ে দেওয়া
(D) তপনকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া
Ans: (C) তপনের গল্প ছাপিয়ে দেওয়া

২৯. যে – পত্রিকায় তপনের গল্প ছাপিয়ে দেওয়ার কথা হয়েছিল, সেই পত্রিকার নাম –
(A) শুকতারা
(B) নক্ষত্র
(C) ধ্রুবতারা
(D) সন্ধ্যাতারা
Ans: (D) সন্ধ্যাতারা

৩০. ‘তোমার গল্প তো দিব্যি হয়েছে।’ এখানে বক্তা হল –
(A) তপন
(B) ছোটোমামা
(C) ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার সম্পাদক
(D) ছোটোমেসো
Ans: (A) তপন জ্ঞানচক্ষু

৩১. ‘তোমার গল্প তো দিব্যি হয়েছে।’ যাকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলা হয়েছে, সে হল –
(A) তপন
(B) ছোটোমেসো
(C) ছোটোমাসি
(D) ছোটোমামা
Ans: (A) তপন

৩২. তপনের লেখাটা ছাপতে দেওয়ার আগে যা করা দরকার, তা –
(A) নতুন করে লেখা
(B) টাইপ করিয়ে নেওয়া
(C) একটু কারেকশন করা
(D) পরিষ্কার হাতের লেখায় লেখা
Ans: (C) একটু কারেকশন করা

৩৩. ‘তপন প্রথমটা ভাবে ঠাট্টা।’ যে বিষয়টিকে তপন ঠাট্টা বলে মনে করে, তা হল –
(A) তার লেখা গল্প ছাপতে দেওয়া
(B) তার লেখা গল্প ছাপার অযোগ্য
(C) ছোটোমেসোর অনেক বই ছাপা হয়েছে
(D) ছোটোমাসি একটা গল্প লিখেছে
Ans: (A) তার লেখা গল্প ছাপতে দেওয়া

৩৪. তপন দ্যাখে মেসোর মুখে –
(A) ঠাট্টার আভাস
(B) বিষাদের ছায়া
(C) বিরক্তির প্রকাশ
(D) করুণার ছাপ
Ans: (D) করুণার ছাপ

৩৫. তখন আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়। এখানে যার কথা বলা হয়েছে, সে হল –
(A) ছোটোমাসি
(B) তপন
(C) মেজোকাকু
(D) মা
Ans: (B) তপন

৩৬. ‘আমি বললে সন্ধ্যাতারার সম্পাদক না করতে পারবে না।’ এখানে বক্তা হলেন –
(A) তপনের বাবা
(B) তপনের ছোটোমামা
(C) তপনের মেজোকাকু
(D) তপনের ছোটোমেসো
Ans: (D) তপনের ছোটোমেসো

৩৭. তপনের গল্প ছাপিয়ে দেওয়ার কথাটা উঠেছিল—
(A) বৈঠকখানায়
(B) বিকেলে চায়ের টেবিলে
(C) রাতে খাবার টেবিলে
(D) দুপুরে খাবার টেবিলে
Ans: (B) বিকেলে চায়ের টেবিলে

৩৮. তপনের গল্প শুনে সবাই –
(A) হাসে
(B) দুঃখ পায়
(C) বিরক্ত হয়
(D) রেগে যায়
Ans: (A) হাসে

৩৯. ‘না না আমি বলছি- তপনের হাত আছে।’— এখানে তপনের ‘হাত আছে’ বলতে বোঝানো হয়েছে—
(A) তপনের লেখার হাত আছে
(B) বিয়েবাড়িতে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় তপনের ভূমিকা আছে
(C) তপনের বেহালা বাজানোর হাত আছে
(D) ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় লেখা ছাপানোয় তপনের হাত আছে
Ans: (A) তপনের লেখার হাত আছে

৪০. না – না আমি বলছি- তপনের হাত আছে।’- এখানে বক্তা হলেন
(A) তপনের ছোটোমেসো
(B) তপনের ছোটোমাসি
(C) ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার সম্পাদক
(D) তপনের মেজোকাকু
Ans: (A) তপনের ছোটোমেসো

৪১. সাধারণত তপনের বয়সি ছেলেমেয়েদের লেখা গল্পের বিষয় হয় –
(A) রূপকথা
(B) ভৌতিক ঘটনা
(C) খুন – জখম – অ্যাকসিডেন্ট অথবা না – খেতে পেয়ে মরে যাওয়া।
(D) ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা
Ans: (A) রূপকথা

৪২. তপন যে – বিষয়টি নিয়ে গল্প লেখে সেটি হল –
(A) খুন – জখম – অ্যাকসিডেন্ট
(B) ওর ভরতি হওয়ার দিনের অভিজ্ঞতা
(C) ঝড়ের রাতের অভিজ্ঞতা
(D) রূপকথা
Ans: (B) ওর ভরতি হওয়ার দিনের অভিজ্ঞতা

৪৩. ‘তপন বিহ্বল দৃষ্টিতে তাকায়।’ – তপনের দৃষ্টিতে যা ছিল, তা হল –
(A) কষ্ট
(B) অবিশ্বাস
(C) রাগ
(D) দুঃখ
Ans: (B) অবিশ্বাস

৪৪. ছুটি ফুরোলে গল্পটি নিয়ে চলে গেলেন –
(A) ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার সম্পাদক
(B) তপনের মেজোকাকু
(C) তপনের ছোটোমাসি
(D) তপনের ছোটোমেসো
Ans: (D) তপনের ছোটোমেসো

৪৫. মেসো চলে গেলে তপন বসে বসে দিন গোনে
(A) উদ্বিগ্ন হয়ে
(B) আতঙ্কিত হয়ে
(C) কৃতার্থ হয়ে
(D) আনন্দিত হয়ে
Ans: (C) কৃতার্থ হয়ে

৪৬. ছেলেবেলা থেকেই তপন গল্প শুনেছে—
(A) একটা – আধটা
(B) রাশি রাশি
(C) বাবার মুখে
(D) ঠাকুমার মুখে
Ans: (B) রাশি রাশি

৪৭. এখন তপন গল্প পড়ছে—
(A) রাশি রাশি
(B) ঝুড়ি ঝুড়ি
(C) বস্তা বস্তা
(D) হাতে গোনা
Ans: (C) বস্তা বস্তা

৪৮. শুধু এটাই জানা ছিল না। অজানা বিষয়টি হল
(A) মেসো একজন লেখক
(B) তার গল্প ছাপা হবে
(C) মানুষই গল্প লেখে
(D) সে গল্প লিখতে পারে
Ans: (C) মানুষই গল্প লেখে

৪৯. তপন আস্তে আস্তে উঠে গেল –
(A) চিলেকোঠায়
(B) তিনতলার সিঁড়িতে
(C) দোতলার সিঁড়িতে
(D) ছাদে
Ans: (B) তিনতলার সিঁড়িতে

৫০. তপন আস্তে আস্তে তিনতলার সিঁড়িতে উঠে গেল ( ক ) ভোরবেলা ও বিকেলবেলা দুপুরবেলা ( খ ) সন্ধেবেলা ১.৫৪ তপন আস্তে আস্তে তিনতলার সিঁড়িতে উঠে গেল—
(A) ব্যাটবল নিয়ে
(B) রং – তুলি নিয়ে
(C) গুলতি নিয়ে।
(D) খাতা – কলম নিয়ে

৫১. বিয়েবাড়িতেও তপনের মা যেটি না – আনিয়ে ছাড়েননি, সেটি
(A) বেনারসি শাড়ি
(B) সোনার গয়না
(C) পড়ার বই
(D) হোমটাস্কের খাতা
Ans: (D) হোমটাস্কের খাতা

৫২. গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তপনের।’- তপনের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল –
(A) অন্ধকারে কাউকে সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে
(B) নিজের লেখা গল্প পড়ে
(C) ছাপার হরফে নিজের লেখা পড়ে
(D) নিঝুম দুপুরে একলা ঘরে ভূতের গল্পঃ পড়ে
Ans: (B) নিজের লেখা গল্প পড়ে

৫৩. মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠল –
(A) ছোটোমাসির
(B) তপনের
(C) ছোটোমেসোর
(D) তপনের মায়ের
Ans: (B) তপনের

৫৪. তপন গল্প লিখে প্রথম জানিয়েছিল
(A) ছোটোমামাকে
(B) ছোটোমেসোকে
(C) ছোটোমাসিকে
(D) ছোটোকাকাকে
Ans: (C) ছোটোমাসিকে

৫৫. তপনের চিরকালের বন্ধু –
(A) মা
(B) ছোটোমাসি
(C) বাবা
(D) ছোটোমামা
Ans: (B) ছোটোমাসি

৫৮. বিয়ের পর ছোটোমাসি হয়ে গেছে –
(A) একটু মুরুব্বি মুরুব্বি
(B) একটু মোটা
(C) একটু গম্ভীর
(D) একটু রোগা
Ans: (A) একটু মুরুব্বি মুরুব্বি

৫৯. ওমা এ তো বেশ লিখেছিস রে?’ – এখানে বক্তা
(A) তপনের ছোটোমামা
(B) তপনের মেজোকাকু
(C) তপনের ছোটোমাসি
(D) তপনের ছোটোমেসো
Ans: (C) তপনের ছোটোমাসি

৬০. ‘কোনোখান থেকে টুকলিফাই করিসনি তো?’ — এ কথা বলেছেন
(A) মা ছোটোমাসিকে
(B) ছোটোমাসি মাকে
(C) ছোটোমাসি তপনকে
(D) ছোটোমেসো তপনকে
Ans: (D) ছোটোমেসো তপনকে

একটি বাক্যে উত্তর দাও জ্ঞানচক্ষু

১. এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের’ — কোন বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের?
উত্তর: আলোচ্য উদ্ধৃতাংশটি আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। তপন সন্দেহ ছিল যে লেখকও তার বাবা, কাকা, মামাদের মতো কোনো মানুষ হতে পারে।

২. ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পটি কোন গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে? জ্ঞানচক্ষু
উত্তর: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পটি আশাপূর্ণা দেবীর ‘কুমকুম’ গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে।

৩. কোন কথাটি শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: তপনের মেসোমশাই যে একজন লেখক সেই কথাটি শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গিয়েছিল।

৪. ‘বিকালে চা এর টেবিলে কথাটি ওঠে’ — কোন কথা?
উত্তর: আলোচ্য অংশটি আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে তপনের গল্পটি তার মেসোমশাই পত্রিকায় ছাপাবেন বলেছিলেন সেই কথার, কথা বলা হয়েছে।

৫. তপনের লেখা গল্পের বিষয়বস্তু কি ছিল?
উত্তর: তপনের লেখা গল্পের বিষয়বস্তু ছিল তার প্রথম দিনের স্কুলে ভর্তি হওয়ার অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি।

৬. তপনের গল্প পড়ে ছোটোমাসি কী বলেছিল?
উত্তর: তপনের ছোটোমাসি বলেছিল যে, কোথাও থেকে সে টুকলি করেছে কিনা।

৭. “যেন নেশায় পেয়েছে” কীসের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: আলোচ্য উদ্ধৃতাংশ আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে তপনের গল্প লেখার কথা বলা হয়েছে।

৮. ‘সূচীপত্রেও নাম রয়েছে’। — সূচীপত্রে কী লেখা রয়েছে?
উত্তর: সূচীপত্রে লেখা রয়েছে ‘প্রথম দিন” (গল্প) শ্রীতপন কুমার রায়’।

৯. ‘সারা বাড়িতে শোরগোল পরে যায়’ — সারা বাড়িতে শোরগোল পরে কেন?
উত্তর: তপনের লেখা গল্পটি পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে এবং সেটি তার মেসোমশাই ছাপিয়ে দিয়েছে তাই সারাবাড়িতে শোরগোল পরে যায়।

১০. ‘ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে’– কোন কথা ছড়িয়ে পড়ে?
উত্তর: তপনের মেসোমশাই তার লেখা গল্প টা একটু আধটু কারেকশন করে ছাপিয়েছে সেই কথাটি ছড়িয়ে পড়ার কথা বলা হয়েছে।

১১. তপনের লেখা গল্পটি কতখানি ‘কারেকশান’ করেন নতুন মেসো? জ্ঞানচক্ষু
উত্তর: গল্পের নাম ‘প্রথম দিন’ ও তপনের সম্পূর্ণ নাম ‘শ্রীতপন কুমার রায়’ বাদে পুরোটাই সংশোধন করে বদলে দিয়েছিলেন।

১২. তপনের লেখা গল্পের নাম কী ছিল?
উত্তর: তপনের লেখা গল্পের নাম ছিল ‘প্রথম দিন’।

১৩. “বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের” – তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে কেন?
উত্তর: মাসি মেসোকে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকা হাতে বাড়িতে আসতে দেখে তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে।

১৪. “বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠে কথাটা” – কোন কথা?
উত্তর: নতুন মেসোমশাই তপনের লেখা গল্পটির প্রশংসা করেছেন এবং তা পত্রিকায় ছাপিয়ে দেবার কথা বলেছেন।

১৫. “এদিকে তপনের বাড়িতে নাম হয়ে গেল” – তপনের বাড়িতে কী কী নাম হয়েছিল?
উত্তর: কবি – সাহিত্যিক ও কথাশিল্পী।

১৬. তপন মামাবাড়িতে এসেছিল কেন?
উত্তর: ছোট মাসির বিয়ে উপলক্ষে।

১৭. ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় প্রকাশিত তপনের গল্পের নাম কী ছিল?
উত্তর: প্রথম দিন (গল্প) শ্রীতপন কুমার রায়।

১৮. ছোট মাসির সঙ্গে তপনের বয়সের পার্থক্য ছিল কত? জ্ঞানচক্ষু
উত্তর: বছর আষ্টেক।

১৯. ছাদে উঠে তপন কিসে চোখ মোছে?
উত্তর: শার্টের তলাটা তুলে।

২০. তপনের নতুন মেসোমশাইয়ের পেশা কী ছিল?
উত্তর: তিনি একজন কলেজের প্রফেসর ছিলেন।

২১. “তপন প্রথমটা ভাবে ঠাট্টা” – কোন কথাকে সে প্রথমে ঠাট্টা ভেবেছিল?
উত্তর: নতুন মেসোমশাই তপনের গল্পের প্রশংসা করার পর সেটিকে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপানোর প্রস্তাব দিলে, তপন সেটিকে প্রথমে ঠাট্টা ভাবে।

২২. তপন মনে মনে পুলকিত হয়েছিল কেন?
উত্তর: মাসির হইচই-এ।

২৩. “আজ আর অন্য কথা নেই”- আজ তবে কিসের কথা?
উত্তর: আজ কেবল তপনের গল্প আর নতুন মেসোর মহত্ত্বের কথা।

২৪. “তার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই” – কোন প্রসঙ্গে এ কথা? জ্ঞানচক্ষু
উত্তর: নিজের লেখা পড়তে গিয়ে অন্যের লেখা-লাইন পড়ে যাওয়া যে চরম অপমানের সেই প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে।

২৫. বিয়ে হওয়ার পর ছোট মাসির মধ্যে কী পরিবর্তন হয়েছিল?
উত্তর: ছোট মাসির মধ্যে একটু মুরুব্বি মুরুব্বি ভাব এসেছিল।

২৬. “মাসি বলে মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে সেটা” – উপযুক্ত কাজটি কী?
উত্তর: তপনের লেখা গল্প ছাপিয়ে দেওয়া।

২৭. “গভীরভাবে সংকল্প করে তপন” – তপন কী সংকল্প করে?
উত্তর: তপন গভীরভাবে সংকল্প করেছিল যে, ভবিষ্যতে গল্প ছাপাতে হলে সে নিজে গিয়ে পত্রিকার অফিসে লেখা দিয়ে আসবে।

২৮. ছোট মাসি ডিম ভাজার সঙ্গে কী খেয়েছিলেন?
উত্তর: চা (মাসি চা আর ডিম ভাজা আর মেসোমশাই শুধু কফি)।

২৯. মেসোর মুখে করুণার ছাপ দেখে তপনের কী মনে হয়?
উত্তর: তপন আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়।

৩০. “কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল” – কোন কথা শুনে?
উত্তর: তপনের নতুন মেসোমশাই একজন লেখক, তিনি বই লেখেন, তার অনেক বই ছাপানো হয়েছে- এই কথা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে যায়।

৩১. “শুধু এটাই জানা ছিল না যে” – তপনের কোন বিষয়টা অজানা ছিল?
উত্তর: মানুষই যে গল্প লিখতে পারে, এই বিষয়টা তপনের অজানা ছিল।

৩২. “তপন আর পড়তে পারে না” – তপন আর পড়তে পারে না কেন? জ্ঞানচক্ষু
উত্তর: নিজের লেখা গল্প পড়তে গিয়ে তপন দেখে ‘কারেকশনের’ নামে নতুন মেসো তার গল্পটাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন, তাই দুঃখে ও অভিমানে তপন আর পড়তে পারে না।

৩৩. ‘এ দেশের কিছু হবে না’ – কথাটি কে বলেছিলেন?
উত্তর: ছোটো মেসো।

৩৪. “গল্প জিনিসটা যে কী সেটা জানতে তো বাকি নেই তপনের”- তপন কীভাবে সেটা জেনেছিল?
উত্তর: ছোটো থেকেই প্রচুর গল্প শুনে আর গাদা গাদা বই পড়ার জন্য গল্প জিনিসটা যে কী, সেটা তপনের জানতে বাকি ছিল না।

৩৫. “রত্নের মূল্য জহুরীর কাছে” – এখানে ‘রত্ন’ ও ‘জহুরী’ কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর: ‘রত্ন’ বলা হয়েছে তপনের লেখা গল্পকে আর ‘জহুরী’ বলা হয়েছে নতুন লেখক মেসোমশাইকে।

৩৬. “তা ওরকম একটা লেখক মেসো থাকা মন্দ নয়” – বক্তা কে?
উত্তর: (শিক্ষক এটি দর্শকদের কমেন্ট করতে বলেছেন)

৩৭. ‘তা ঘটেছে সত্যিই ঘটেছে’- কী ঘটেছে?
উত্তর: তপনের লেখা গল্প ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার ঘটনাটি সত্যিই ঘটেছে।

  1. কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল! কোন কথা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল?
    উ. লেখকরা ভিন্নজগতের প্রাণী এটিই ছিল তপনের ধারণা। কিন্তু তার নতুন মেসোমশাই একজন লেখক শুনে বিস্ময়ে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।
  2. নতুন মেসোকে দেখে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল তপনের-এখানে কোন জ্ঞানের কথা বলা হয়েছে।
    উ. এখানে লেখকরাও যে নিছক সুস্থ স্বাভাবিক ও সাধারণ মানুষ তপনের এই জ্ঞান লাভের কথায় বলা হয়েছে।
  3. তপনের গল্প পড়ে ছোটমাসি কী বলেছিল?
    উত্তর:- তপনের গল্পটা সবটা না-পড়ে একটু চোখ বুলিয়ে পিঠ চাপড়ানোর সুরে ছোটমাসি বলেছিল, তার লেখাটি ভালোই হয়েছে। খানিক রসিকতার সুরে এটা কোথাও থেকে টুকলিফাই করা কিনা সে-কথা ছোটমাসি জানতে চেয়েছিল।
  4. ‘তখন আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়।’ -কে, কেন আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়?
    উত্তর:- ছোটমেসো তপনের লেখাটা ছাপানোর কথা বললে তপন প্রথমে সেটাকে ঠাট্টা বলে ভাবে। কিন্তু মেসোর মুখে করুণার ছাপ দেখে তপন আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়।
  5. মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠল। -কার, কেন মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠেছিল?
    উত্তর:- নতুন মেসোর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তপন নিজেই চেষ্টা করে একটা গল্প লিখে ফেলে। নিজের সৃষ্টিতে রোমাঞ্চিত হয়ে তার মাথার চুল খাড়া হয়ে ওঠে।
  6. ‘তপনকে যেন আর কখনো শুনতে না হয়’-তখন কোনকথাটি শুনে ছিল?
    উত্তর: মেসোমশাই ‘কারেকশন’ করে তপনের গল্প ছাপানোর দরুন বাড়ির সকলের কাছ থেকে তপনকে শুনতে হয়েছিল অমুক তপনের লেখা ছাপিয়ে দিয়েছে।
  7. ‘মেসো তেমনি করুণার মূর্তিতে বলেন- মেসো কী বলেছিলেন?
    উত্তর: সেসো করুণার মূর্তিতে বলেছিলেন, তিনি তপনের গল্প পত্রিকায় ছাপিয়ে দেবেন। কারণ সন্ধ্যাতারা পত্রিকার সম্পাদককে তিনি গল্প ছাপানোর অনুরোধ করলে, সম্পাদক ‘না’ করতে পারবেন না।
  8. ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখক মেসোমশাইয়ের অহংকার বোধের পরিচয় মেলে এমন একটি দৃষ্টান্ত দাও।
    উত্তর: নিজের অহংকার জাহির করে, মেসোমশাই বলেছিলেন তিনি সুপারিশ করলে সন্ধ্যাতারা পত্রিকার সম্পাদক কোনো গল্প ছাপাতে ‘না’ করতে পারবেন না।
  9. এইসব মালমশলা নিয়ে বসে মালমশলাগুলি কী কী?
    উত্তর: লেখক মেসোর মতে, তপনের সমবয়সিরা গল্প লিখতে বসলেই রাজা-রানি, খুন-জখম-অ্যাক্সিডেন্ট অথবা অনাহারে মৃত্যুর মতো চিরাচরিত বিষয়গুলিকেই নিজের গল্পের মালমশলা হিসেবে গ্রহণ করে।
  10. বিয়ে বাড়িতেও যেটি মা না আনিয়ে ছাড়েননি কী না আনিয়ে ছাড়েননি?
    উত্তর: ‘হোমটাস্কের খাতা তপনের মা বিয়ে বাড়িতেও না আনিয়ে ছাড়েননি।
  11. ‘এর মধ্যে তপন কোথা?’-এ কথা বলার কারণ কী?
    উত্তর: পত্রিকায় প্রকাশিত স্বরচিত গল্পটি পড়তে গিয়ে, তপন দেখে গল্পের প্রতিটি লাইনই তার অচেনা। গোটা গল্পে কোথাও তার নিজস্বতটুকু নেই। তাই এ কথা বলা হয়েছে।
  12. ক্রমশ ও কথাটাও ছড়িয়ে পড়ে-কোনকথা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়েছিল?
    উত্তর: পত্রিকায় অপনের গল্প প্রকাশের সংবাদের পাশাপাশি, এ কথাটাই ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে যে, তপনের মেসোমশাই গল্পটিকে ‘কারেকশন’ করে ছাপিয়েছে।
  13. ‘গভীরভাবে সংকল্প করে তপন ওর সংকল্পটি কী?
    উত্তর। দুঃখের মুহূর্তে তপন সংকল্প করেছিল যে ভবিষ্যতে গল্প ছাপাতে হলে, সে নিজে পত্রিকার অফিসে গিয়ে লেখা দিয়ে আসবে। জ্ঞানচক্ষু
  14. ‘তা ঘটেছে, সত্যিই ঘটেছে-কী ঘটেছে?
    উত্তর: তপনের লেখা গল্প ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার ঘটনাটি সত্যিই ঘটেছে।
  15. ‘সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না’-কে কোথায় খুঁজে পায়নি?
    উত্তর: স্বরচিত গল্প প্রকাশিত হলে, সৃষ্টিসুখজনিত যে ভয়ঙ্কর আহ্লাদ হওয়ার কথা, সেই আহ্লাদ তপন খুঁজে পায়নি।
  16. ‘আজ আর অন্য কথা নেই- সেদিন শুধুকথা আলোচনা হয়েছিল?
    উত্তর: তপনদের বাড়িতে সেই দিন শুধুতপনের র গল্পের কথা আর নতুন মেসোর মহত্বের কথা আলোচিত হয়েছিল।
  17. ‘এদিকে বাড়িতে তপনের নাম হয়ে গেছে-বাড়িতে তপনের কী কী নাম হয়েছিল?
    উত্তর: জনা লেখক মেসোকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে গল্প লেখার দরুন, বাড়ির সকলের কাছে তপনের নাম হয়ে গিয়েছিল কবি-সাহিত্যিক ও কথাশিল্পী।
  18. ‘মেসো অবশ্য মৃদু মৃদু হাসেন’- মেসোর হাসির কারণ কী?
    উত্তর: বাড়ির সদস্যদের সামনে সুকৌশলে নিজের মহত্ব জাহির করার জন্য মেসোমশাই মৃদু মৃদু হেসে জানিয়েছিলেন যে, তপনের গল্পটা তিনি কারেকশন করে পত্রিকাতে ছাপিয়েছেন।
  19. তার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই-তপনের মতে সবচেয়ে দুঃ খের ঘটনাটি কী?
    উত্তর: তপনের মতে, স্বরচিত গল্প পড়তে বসে অন্যের লাইন পড়ার মতো দুঃ খের এবং অপমানের ঘটনা আর কিছু নেই। জ্ঞানচক্ষু
  20. ‘গল্প জিনিসটা যে কি সেটা জানতে তো বাকি নেই?- তপন কীভাবে এটা জেনেছিল?
    উত্তর: শৈশব থেকেই রাশি রাশি গল্প শুনে আর গাদা গাদা বই পড়ার দরুন, গল্প জিনিসটা যে কী, সেটা তপনের জানতে বাকি ছিল না।
  21. ‘সূচিপত্রেও নাম রয়েছে সেখানে কী লেখা ছিল?
    উত্তর: ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার সূচিপত্রে লেখা ছিল-‘প্রথম দিন’ (গল্প) শ্রীতপন কুমার রায়।
  22. বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের’-কেন বুকের রক্ত ছলকে উঠেছিল?
    উত্তর: মাসিমেসোকে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকা হাতে বাড়িতে আসতে দেখে তপনের বুকের রক্ত ছলকে উঠেছিল।
  23. তপনের নতুন মেসোমশাই কেন শ্বশুরবাড়িতে কিছুদিন রয়ে গিয়েছিলেন?
    উত্তর: তপনের নতুন মেসোমশাই কলেজের প্রফেসর। গ্রীষ্মের ছুটিতে কলেজ বন্ধ থাকার কারণে, তিনি শ্বশুরবাড়িতে কিছু দিন রয়ে গিয়েছিলেন।
  24. ‘যেন নেশায় পেয়েছে’-কাকে কীসের নেশায় পেয়েছে?
    উত্তর: তপনকে গল্প লেখার নেশায় পেয়েছে।
  25. “তাই জানত না”-কে কী জানত না।? জ্ঞানচক্ষু
    উত্তর: জলজ্যান্ত একজন লেখককেও অত্যন্ত কাছ থেকে দেখা যায়, একথা তপন জানত না।
  26. ‘বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠে কথাটা!’ কোনকথাটি চায়ের টেবিলে উঠেছিল?
    উত্তর: নতুন মেসোমশাই তপনের গল্পটির প্রশংসা করেছেন এবং তা পত্রিকায় ছাপানোর প্রস্তাব দিয়েছেন-এই কথাটি বিকেলে চায়ের টেবিলে উঠেছিল।
  27. ‘সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না”-তপনের আহ্লাদিত না হতে পারার কারণ কী?
    উত্তর: তপনের স্বরচিত গল্পটি পড়ে সবাই তাকে বাহবা দেওয়ার বদলে নতুন মেসোর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে পড়ে তাই স্বরচিত গল্প প্রকাশিত হওয়ার সৃষ্টি সুখজনিত আহ্লাদে তপন আহ্লাদিত হতে পারেনি।
  28. বিয়ের পর ছোটো মাসির মধ্যে তপন কোন্পরিবর্তন লক্ষ্য করেছিল?
    উত্তর: বিয়ের পর তপনের ছোটো মাসি একটু মুরুব্বি মুরুব্বি হয়ে উঠেছিল।
  29. তপনের লেখা গল্প পড়ে ছোটো মেসো কী বলেছিলেন?
    উত্তর: তপনের লেখা গল্পটি পড়ে ছোটো মেসো প্রশংসা করে বলেন-“তোমার গল্প যে। দিব্যি হয়েছে। একটু কারেকশন’ করে ইয়ে করে দিলে ছাপতে দেওয়া চলে।”
  30. তপন কোন বিষয় নিয়ে তার প্রথম গল্পটি লিখেছিল বা তপনের লেখা ‘প্রথম দিন’ গল্পটির বিষয় কী?
    উত্তর: স্কুলে ভর্তির প্রথম দিনের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা নিয়েই তপন তার প্রথম গল্পটি লিখেছিল।

রচনা ধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাও: – ৫ জ্ঞানচক্ষু

১. পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে”– তপনের এমন মনে হওয়ার কারণটি লেখো।
২. “তপন আর পড়তে পারে না বোবার মতো বসে থাকে” — তপনের এমন অবস্থার কারণ বর্ণনা করো।
৩. ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প অনুসারে তপনের জ্ঞানচক্ষু কীভাবে উন্মীলিত হয়েছিল, তা আলোচনা করো।
৪. ‘তপনের মনেহয় আজ যেন তার সবচেয়ে দুঃখের দিন’— কেন তপনের একথা মনে হয়েছিল?
৫. “এর মধ্যে তপন কোথা” — উক্তিটির তাৎপর্য কোথায়?
৬. ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

১. কিন্তু নতুন মেসোকে দেখে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল তপনের। -নতুন মেসোর পরিচয় দাও। তাকে দেখে তপনের জ্ঞানচক্ষু খুলে যাওয়ার কারণ কী? জ্ঞানচক্ষু

Ans: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের নতুন মেসো তার ছোটোমাসির স্বামী। তিনি একজন লেখক, বই লেখেন। ইতিমধ্যে তাঁর অনেক বই ছাপাও হয়েছে। সর্বোপরি তিনি একজন প্রফেসর।

তপনের ছোটোমাসির বিয়ের পর নতুন মেসো যে লেখক, এ কথা শুনে তার কৌতূহলের অন্ত ছিল না। তার কাছে লেখক মানে ভিন গ্রহের কোনো মানুষ, যারা সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। একজন লেখককে যে এত কাছ থেকে দেখা যায় কিংবা লেখকরা যে তপনের বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুদের মতো সাধারণ মানুষ হতে পারে, এ বিষয়েও তার যথেষ্ট সন্দেহ ছিল। কিন্তু তার সেই ধারণাগুলো ভেঙে গেল, যখন দেখল তার ছোটোমেসোও তার বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর মতোই দাড়ি কামান, সিগারেট খান, খেতে বসে অর্ধেক খাবার তুলে দেন, সময়মতো স্নান করেন ও ঘুমান। ছোটোমামাদের মতোই খবরের কাগজের কথায় তর্ক ও শেষ পর্যন্ত দেশ সম্পর্কে একরাশ হতাশা ঝেড়ে ফেলে সিনেমা দেখতে বা বেড়াতে চলে যান। এসব বিষয়ে অন্যদের সঙ্গে মেসোর মিল দেখে তপনের জ্ঞানচক্ষু উন্মোচিত হয়। সে বুঝতে পারে লেখকরা আকাশ থেকে পড়া জীব নয়, নিছকই মানুষ।

২. ‘রত্নের মূল্য জহুরির কাছেই।’ – ‘রত্ন’ ও ‘জহুরি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? উদ্ধৃত উক্তিটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও। জ্ঞানচক্ষু

Ans: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে উদ্ধৃতিটি পাই। ‘রত্ন’ বলতে মূল্যবান পাথর বোঝায়। ‘জহুরি’ বলতে বোঝায় জহর অর্থাৎ রত্ন বিশেষজ্ঞকে। যে – কোনো পাথরকে রত্ন বলে চালালে তা জহুরির চোখ এড়ানো মুশকিল। ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে ‘রত্ন’ বলতে তপনের লেখা গল্পকে আর ‘জহুরি’ বলতে তার ছোটোমাসির স্বামী তথা নতুন মেসোমশাইকে বোঝানো হয়েছে।

সীমিত জীবনবৃত্তের পরিধিতে তপনের গল্পের বইয়ের সঙ্গে পরিচিতি থাকলেও লেখকদের সম্পর্কে তার কিছুই অভিজ্ঞতা ছিল না। তপন তাদের গ্রহান্তরের কোনো জীব ভাবত। নতুন মাসির বিয়ের পর লেখক নতুন মেসোর সঙ্গে যখন পরিচিত হল তখনই তপনের লেখক সম্পর্কে সমস্ত ধারণা বদলে গেল। তার জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল। তপন তার বাবা, কাকা ও মামাদের সঙ্গে নতুন মেসোর কোনো তফাত পেল না। এসব কিছু মিলিয়েই তপন ভাবে তারই বা লেখক হতে বাধা কোথায়? তাই সে গল্প লিখতে গিয়ে আস্ত একটা গল্প লিখে ফেলায় উত্তেজনায় ছোটোমাসিকে দেখায়। ছোটোমাসি তা মেসোকে ঘুম থেকে তুলে দেখায়। ব্যাপারটা তপনের মত না থাকলেও সে মনে মনে পুলকিত হয়, কেন – না জহুরির রত্ন চেনার মতো তার লেখার কদর একমাত্র নতুন মেসোই বুঝতে পারবে।

৩. ‘আর সবাই তপনের গল্প শুনে হাসে। সকলের তপনের গল্প শুনে হাসার কারণ কী? তার গল্পের যথাযথ মূল্যায়ন কে, কীভাবে করেছিলেন?
অথবা, ‘বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠে কথাটা। চায়ের টেবিলে ওঠা কথাটি সম্পর্কে বাড়ির মানুষদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? নতুন মেসোরই – বা এই ঘটনায় বক্তব্য কী ছিল? হাসার কারণ? জ্ঞানচক্ষু

Ans: ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প থেকে গৃহীত অংশটিতে ‘সবাই’ বলতে তপনের বাড়ির লোকজনকে বোঝানো হয়েছে। বাড়ির বড়োদের চোখে সে ছিল নেহাতই ছোটো, তার গুরুত্ব কম। সে যে রাতারাতি একটা গল্প লিখে ফেলতে পারে, আর সে – গল্প যে ছাপানোর যোগ্য হতে পারে তা প্রথমে কেউই বিশ্বাস করতে পারেননি। তাই সকলে তপনের গল্প শুনে হেসেছিলেন। বাড়ির সকলে তার লেখা গল্পকে গুরুত্ব না দিলেও, তার লেখক নতুন মেসো কিন্তু এই গল্পের যথাযথ মর্যাদা দিয়েছিলেন। তপনের মাসি তার গল্পটি মেসোকে দেখালে, তিনি তা একটি পত্রিকায় গল্পের মূল্যায়ন কে, কীভাবে করেছিলেন? প্রকাশ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। বিকেলে চায়ের টেবিলে সকলে তপনের লেখা গল্প নিয়ে হাসাহাসি ত করলেও, লেখক – মেসো কিন্তু তপনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন যে, না তপনের লেখার হাত ও দেখার চোখ দুই – ই আছে। কারণ তার বয়সি ছেলেমেয়েরা সাধারণত রাজারানি, খুন, জখম, অ্যাকসিডেন্ট, নয়তো না – খেতে পেয়ে মরে যাওয়া প্রভৃতি বিষয়ে গল্প লেখে। কিন্তু তপন সেসব না – লিখে তার ভরতি হওয়ার দিনের অভিজ্ঞতা আর অনুভূতি নিয়ে গল্প লিখেছে। তপনের লেখক মেসোর মতে, এ খুব বিরল লক্ষণ। এইভাবে তপনের মেসো তার লেখা গল্পের মূল্যায়ন করেছিলেন। তবে তপনের গল্পে আনাড়ি হাতের ছাপ থাকায়, তিনি তা সংশোধন করে দিয়েছিলেন।

৪. পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে? – কোন্ ঘটনাকে অলৌকিক বলা হয়েছে? একে অলৌকিক বলার কারণ কী?

Ans: প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর গল্প ‘জ্ঞানচক্ষু’ – র কেন্দ্রীয় চরিত্র তপন। বিশাল পৃথিবীতে স্বল্প বাস্তবতাবোধ নিয়ে আর পাঁচটা শিশুর মতোই তারও পথ চলা। লেখকদের সম্পর্কে তার ধারণা সে – কথাই বলে। সেই তপন তার নতুন লেখক মেসোমশাইয়ের অলৌকিক ঘটনা সান্নিধ্যে এসে তার প্রতিভাকে বিকশিত করে কাঁচা হাতে লিখে ফেলে একটা আস্ত গল্প। সেই গল্প মেসোর হাতে গেলে মেসো তপনের ও বাড়ির লোকেদের মন রাখার জন্য তা সামান্য কারেকশন করে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন ও সেটি নিয়ে যান। এর বেশ কিছু দিন পর ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় গল্পটি ছেপে বেরোয়। তপনের কাছে এই চমকপ্রদ ঘটনাটিই অলৌকিক বলে মনে হয়েছিল। -> ‘অলৌকিক’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ হল মানুষের পক্ষে যা সম্ভব নয় বা পৃথিবীতে সচরাচর যা ঘটে না। এক্ষেত্রে ছোট তপনের লেখা গল্প কেন অলৌকিক পরিবেশ ও পরিস্থিতির সময়ে যেভাবে ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হয়েছিল সেটাই অলৌকিক। আসলে তপনের লেখক সম্পর্কে ধারণার অবসান, গল্প লেখা, তা মেসোর হাত ধরে ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হওয়া প্রভৃতি ঘটনাগুলি তার কাছে এতটাই অবিশ্বাস্য যে, তার মনে হয় সমস্ত ঘটনাটিই যেন অলৌকিক।

৫. ‘এর প্রত্যেকটি লাইনই তো নতুন আনকোরা, তপনের অপরিচিত’ – ‘এর’ বলতে কীসের কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি পরিস্ফুট করো।

Ans: উদ্ধৃত লাইনটি আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পের অংশবিশেষ। ‘এর’ – এর উদ্দেশ্য এখানে ‘এর’ বলতে গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র তপনের প্রথম ছেপে বেরোনো গল্প ‘প্রথম দিন’ – এর কথা বলা হয়েছে। গল্পের নায়ক তপন ছোটোবেলা থেকেই ভাবত লেখকরা বুঝি অন্য জগতের মানুষ। কিন্তু ছোটোমাসির সঙ্গে বিয়ে হওয়া নতুন মেসোকে দেখে তার সেই ভুল ভাঙে। তার নতুন মেসো বই লেখেন। সেসব বই ছাপাও হয় – অথচ মেসোর আচার – আচরণের সঙ্গে তার বাবা, ছোটোমামা বা মেজোকাকুর আচার – আচরণের কোনো তফাতেই বিস্তারিত আলোচনা সে খুঁজে পায় না। তপন বোঝে, লেখকরা আকাশ থেকে পড়া কোনো জীব নয়। অনুপ্রাণিত তপন একটা আস্ত গল্প লিখে যেটা তার মাসির হাত ঘুরে মেসোর হাতে পড়ে। মাসির পীড়াপীড়িতে সামান্য কারেকশন করে সে গল্প ‘সন্ধ্যাতারা’ – য় ছাপিয়ে দেন নতুন মেসো। বাড়িতে সে নিয়ে আনন্দের শেষ নেই। কিন্তু ছোট্ট তপন সকলের অনুরোধে গল্প পড়তে শুরু করতেই সুর কেটে যায়। তপন দেখে কারেকশনের নাম করে মেসো তার লেখাটা আগাগোড়াই বদলে দিয়েছেন। গল্পের প্রত্যেকটি লাইনই তার কাছে নতুন লাগে। তার শিশুমণ ব্যথায় ভরে ওঠে।

Leave a Comment