আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতা প্রশ্নোত্তর | মাধ্যমিক বাংলা ২০২6 | শঙ্খ ঘোষ
শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি মাধ্যমিক বাংলা ২০২৫ সালের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কবিতা। এই কবিতায় কবি যুদ্ধ, সমাজ-ধ্বংস, অবক্ষয় ও একতার প্রয়োজনে আহ্বান জানিয়েছেন। পরীক্ষায় ভালো করার জন্য এই অধ্যায় থেকে MCQ, SAQ, ৩ নম্বর ও ৫ নম্বর প্রশ্ন আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখানে প্রশ্নোত্তরসহ বিশ্লেষণ করে সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে সব উত্তর, যাতে ছাত্রছাত্রীরা সহজে প্র্যাকটিস করতে পারে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করতে পারে।
আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি
বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো:-
১. “আমাদের চোখমুখ ঢাকা” — পঙ্ক্তিটির মর্মার্থ হল
(a) আমাদের পরিচয় কোনোদিনই প্রকাশ পায় না
(b) আমরা পরিচয় দিতে লজ্জা পাই
(c) আমরা পরিচয় দিতে ঘৃণা বোধ করি
(d) আমাদের পরিচয়ের কেউ তোয়াক্কা করে না
উত্তর: (a) আমাদের পরিচয় কোনোদিনই প্রকাশ পায় না
২. “আমরা ভিখারি বারোমাস”—কবির এমন মনে হওয়ার কারণ—
(a) মানুষের দারিদ্র্য দেখে তিনি কুণ্ঠিত
(b) মানুষের চাহিদা দেখে তিনি লজ্জিত
(c) মানুষের হতাশা দেখে তিনি ক্ষুব্ধ
(d) মানুষের দুঃখে তিনি কাতর
উত্তর: (b) মানুষের চাহিদা দেখে তিনি লজ্জিত
৩. “আমাদের কথা কে-বা জানে”—এ কথা তাদের মনে হয় যারা—
(a) ভিখারি
(b) সাধারণ মানুষ
(c) উদ্বাস্তু
(d) কবি
উত্তর: (b) সাধারণ মানুষ
৪. ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যগ্রন্থের
(a) ১ সংখ্যক কবিতা
(b) ১০ সংখ্যক কবিতা
(c) ২৫ সংখ্যক কবিতা
(d) ৩১ সংখ্যক কবিতা
উত্তর: (d) ৩১ সংখ্যক কবিতা
৫. ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যগ্রন্থটির রচনাকাল—
(a) ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
(b) ২০০৪-২০০৬ খ্রিস্টাব্দ
(c) ২০০৭-০৮ খ্রিস্টাব্দ
(d) ২০০০-০৩ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর: (d) ২০০০-০৩ খ্রিস্টাব্দ
৬. ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যগ্রন্থটি কবি শঙ্খ ঘোষ যাঁদের উৎসর্গ করেন, তাঁরা হলেন—
(a) জয়দেব আর সেবতী
(b) অভীক আর মাল
(c) অরিজিৎ আর রীণা
(d) শ্রীজাত আর দূর্বা
উত্তর: (c) অরিজিৎ আর রীণা
৬. “আমাদের ডান পাশে __”
(a) হিমানীর বাঁধ
(b) গিরিখাত
(c) ধস
(d) বোমারু
উত্তর: (c) ধস
৭. আমাদের বাঁয়ে রয়েছে
(a) ধস
(b) গিরিখাত
(c) বন
(d) ইতিহাস
উত্তর: (b) গিরিখাত
৮. আমাদের মাথায় আছে—
(a) ঘরবাড়ি
(b) বেঁচে থাকা
(c) পথ
(d) বোমারু বিমান
উত্তর: (d) বোমারু বিমান
৯. আমাদের পায়ে পায়ে রয়েছে—
(a) ভারী জুতো
(b) হিমানীর বাঁধ
(c) কাঁটাতার
(d) ভিক্ষুকের দল
উত্তর: (b) হিমানীর বাঁধ
১০. ‘আমাদের পথ’—
(a) নেই, হারিয়ে গেছে
(b) ফাঁকা পড়ে আছে
(c) তৈরি করতে হবে
(d) জনাকীর্ণ হয়ে আছে
উত্তর: (a) নেই, হারিয়ে গেছে
১২. “আমাদের ঘর গেছে উড়ে” পঙ্ক্তিটির মর্মার্থ হল, ঘর
(a) আকস্মিক বিপর্যয়ে ধ্বংস হয়ে গেছে
(b) দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে
(c) ছেড়ে আমরা বেরিয়ে পড়েছি
(d) আমাদের কোনোদিনই ছিল না
উত্তর: (a) আকস্মিক বিপর্যয়ে ধ্বংস হয়ে গেছে
১৩. “ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে!” কাছে-দূরে ছড়ানো রয়েছে –
(a) কাটা গাছপালা
(b) অভগ্ন বোমারু বিমান
(c) গিরিখাত
(d) শিশুদের শব
উত্তর: (d) শিশুদের শব
অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
১. কবি শঙ্খ ঘোষ কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: কবি শঙ্খ ঘোষ ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান বাংলাদেশের চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
২. “আমাদের পথ নেই কোনো”—উদ্ধৃতাংশে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন।
উত্তর: আমরা যে সমাজ-বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছি সেখানে সময়ের অস্থিরতায় সবকিছু যেন হারিয়ে গেছে। মানবিক মূল্যবোধহীনতার তাড়নায় চলার পথে আলো নেই, অন্ধকার পরিব্যাপ্ত। তাই কবি যেন আমাদের জানাতে চেয়েছেন এগিয়ে যাওয়ার আর কোনো পথ নেই।
৩. “আমাদের ঘর গেছে উড়ে”—উদ্ধৃতিটির অর্থ কী?
উত্তর: সমাজ পরিবেশ আমাদের আশ্রয় তথা ঘর। আর এই আশ্রয় দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকে কতকগুলি মানবিক প্রত্যয়ের সমন্বয়ে, চেতনার বলয়ে থাকে মানবিক মূল্যবোধ। সময়ের আঘাতে এগুলির যথেষ্ট অভাব। তাই কবি বোঝাতে চেয়েছেন আমরা আজ আশ্রয়হীনতায় ভুগছি।
[স্লাইড ৬]
৪. ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যগ্রন্থটি কত খ্রিস্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়?
উত্তর: জলই পাষাণ হয়ে আছে কাব্যগ্রন্থটি ২০০৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। এর দ্বিতীয় মুদ্রণ হয় ২০০৮-এ।
৫. ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যগ্রন্থের কত সংখ্যক কবিতা?
উত্তর: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যগ্রন্থের ৩১ সংখ্যক কবিতা।
[স্লাইড ৭]
৬. ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি কয়টি স্তবকে বিন্যস্ত? প্রতিটি স্তবকে কয়টি করে পঙ্ক্তি আছে?
উত্তর: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি দুটি স্তবকে বিন্যস্ত। প্রতিটি স্তবকে ১২টি করে পঙ্ক্তি রয়েছে।
৭. কবিতার কথকের ডানপাশে কীসের চিহ্ন ছড়িয়ে রয়েছে?
উত্তর: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতার কথকের ডানপাশে ধসের চিহ্ন ছড়িয়ে রয়েছে।
৮. ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কথকের মাথার ওপরে কী উড়ে বেড়াচ্ছে?
উত্তর: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কথকের মাথার ওপরে উড়ে বেড়াচ্ছে বোমারু বিমান।
৯. কবিতার কথক তার বাঁ দিকে কী দেখছেন?
উত্তর: ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতার কথক তার বাঁ দিকে দেখছেন গভীর গিরিখাত।
ব্যাখ্যাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ৩)
১. “আমাদের পথ নেই কোনো”—এই পথ না থাকার তাৎপর্য কী?
২. “আমাদের শিশুদের শব/ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে।”—মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
৩. “আমাদের ইতিহাস নেই”—কথাটি ব্যাখ্যা করো।
৪. “আমরাও তবে এইভাবে/এ মুহূর্তে মরে যাব না কি?”—কবির এই ভাবনার কারণ আলোচনা করো।
৫. “আমাদের চোখমুখ ঢাকা/আমরা ভিখারি বারোমাস”—মন্তব্যটির তাৎপর্য লেখো।
৬. “ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে।”—কীসের কথা বলেছেন কবি? এমনটি হওয়ার কারণ কী? ১+২
রচনাধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ৫)
১. “আমাদের ডান পাশে ধস/আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ”—সমগ্র কবিতার পরিপ্রেক্ষিতে এই বক্তব্যের তাৎপর্য লেখো।
২. “আমাদের ইতিহাস নেই”—এই ইতিহাস না থাকার কথা বলে কবি আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন সমগ্র কবিতা অবলম্বনে লেখো।
৩. “পৃথিবী হয়তো বেঁচে আছে। পৃথিবী হয়তো গেছে মরে”—উক্তিটি কার বা কাদের? পৃথিবী সম্পর্কে তাদের এরূপ মন্তব্যের কারণ লেখো।
৪. “তবু তো কজন আছি বাকি/আয় আরো হাতে হাত রেখে/আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।”—উদ্ধৃতাংশটি কোন কবিতার অন্তর্গত? কবিতাটির মধ্যে কবি যে মূল বক্তব্য তুলে ধরতে চেয়েছেন, তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও এবং উদ্ধৃতাংশটির প্রেক্ষিতে কবি-মানসিকতার পরিচয় দাও। ১+৪
৫. “আমাদের ডান পাশে ধস/আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ…”—“আমাদের বলতে কাদের ইঙ্গিত করেছেন কবি? পাঠ্যরচনা অবলম্বনে এই বক্তব্যের আলোয় কবির মানসিকতা সম্পর্কে তোমার মত লিপিবদ্ধ করো। ১+৪
৬. “আমাদের পথ নেই কোনো”—কাদের, কেন, কোনো পথ নেই? পথ না-থাকার জন্য তাদের অবস্থা কেমন, সে বিষয়ে তোমার ধারণা ব্যক্ত করো। ২+৩
৮. “আমাদের শিশুদের শব/ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে।”—কী কারণে, কাদের শিশুর এরকম অবস্থা? বিষয়টি স্পষ্ট করো। ২+৩
৯. “আমাদের ইতিহাস নেই/অথবা এমনই ইতিহাস/আমাদের চোখমুখ ঢাকা”—বক্তাদের ইতিহাস না-থাকা ও থাকা বিষয়ে তোমার ধারণা লিপিবদ্ধ করো। কোন্ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তারা এই কথা বলেছে? ৩+২
১০. ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতায় কবির সমকালীন ভাবনার পরিচয় দাও। ১+৪
পাঠ্যগত ব্যাকরণ
অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (প্রশ্নমান – ১)
কারক-বিভক্তি
১. “আমাদের ডান পাশে ধস।”—‘ধস’ পদটির কারক-বিভক্তি নির্ণয় করো।
উত্তর: ধস—কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
২. “আমাদের ঘর গেছে উড়ে।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি লেখো।
উত্তর: ঘর—কর্মকারকে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
৩. “আমাদের শিশুদের শব।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদগুলির কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো।
উত্তর: শিশুদের শব—সম্বন্ধপদে ‘শূন্য’ বিভক্তি।
৪. “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি কী হবে?
উত্তর: বেঁধে বেঁধে—অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।
৫. “আমরা ফিরেছি দোরে দোরে।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির কারক-বিভক্তি নির্ণয় করো।
উত্তর: দোরে দোরে—অধিকরণ কারকে এ বিভক্তি।
সমাস
৬. “আমাদের চোখমুখ ঢাকা।”—“চোখমুখ’ পদটির ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: চোখ মুখ—চোখ ও মুখ (দ্বন্দ্ব সমাস)।
৭. “আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির ব্যাসবাক্যসহ সমাস লেখো।
উত্তর: গিরিখাদ—গিরির খাদ (সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস)।
৮. “আমাদের মাথায় বোমারু।”—নিম্নরেখাঙ্কিত পদটির ব্যাসবাক্যসহ সমাসের নাম লেখো।
উত্তর: বোমারু—বোমা বর্ষণ করে যে (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)।
৯. “আমরা ভিখারি বারোমাস।”—“ভিখারি’ পদটির সমাস লেখো।
উত্তর: ভিখারি—ভিক্ষা বৃত্তি যার (বহুব্রীহি সমাস)।
বাক্য
১০. “পৃথিবী হয়তো বেঁচে আছে।”—নির্দেশক বাক্যে পরিণত করো।
উত্তর: পৃথিবীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
১১. “আমাদের পথ নেই আর।”—প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপ দাও।
উত্তর: আমাদের কি আর কোনো পথ আছে?
১২. “আমাদের কথা কেবা জানে!”—নাস্ত্যর্থক বাক্যে রূপান্তরিত করো।
উত্তর: আমাদের কথা কেউ জানে না।
১৩. “কিছুই কোথাও যদি নেই।”—প্রশ্নবোধক বাক্যে রূপ দাও।
উত্তর: কিছুই কি কোথাও আছে?
১৪. “এ-মুহূর্তে মরে যাব না কি!”—অস্ত্যর্থক বাক্যে পরিণত করো।
উত্তর: সম্ভবত এ-মুহূর্তটি মৃত্যুর।
বাচ্য
১৫. “আমাদের ঘর গেছে উড়ে।”—কর্মবাচ্যে পরিণত করো।
উত্তর: আমাদের ঘর ওড়ানো হয়েছে।
১৬. “শিশুদের শব/ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে!”—বাক্যটির कर्तृবাচ্যের রূপ কী হবে?
উত্তর: শিশুদের শব ছড়িয়েছে কাছে দূরে।
১৭. “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।”—ভাববাচ্যে রূপ দাও।
উত্তর: আসা যাক, আরো বেঁধে বেঁধে থাকা যাক।
১৮. “আমরা ফিরেছি দোরে দোরে।”—ভাববাচ্যে পরিণত করো।
উত্তর: আমাদের ফেরা হয়েছে দোরে দোরে।
১৯. “আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ।”—বাক্যটির कर्तৃবাচ্যে রূপ দাও।
উত্তর: বাঁয়ে গিরিখাদ নিয়ে আমরা বর্তমান।
প্রথম যে প্রশ্ন হচ্ছে, পায়ে পায়ে যা থাকে, তা হল– অপশন ক) কঠিন রাস্তা, অপশন খ) গভীর খাদ, অপশন গ) হিমানীর বাঁধ, নাকি অপশন ঘ) অসমান মেঠো পথ। তাহলে আমরা সরাসরি আমরা উত্তর জানি, উত্তর কি হবে? না, উত্তর হবে, রাইট আনসার হচ্ছে অপশন গ, হিমানীর বাঁধ। ঠিক আছে? এরপরে আমি কিন্তু আর অপশনগুলো বলছি না, আমি কিন্তু সরাসরি উত্তরগুলো বলবো, ঠিক আছে।
দু’নম্বর প্রশ্ন হচ্ছে কি? না, গিরিখাদ রয়েছে– আমরা কবিতা অবলম্বনে আমরা জানি, না গিরিখাদ কোথায় আছে? না আমাদের বাম দিকে আছে বা বাঁয়ে, রাইট?
তিন নম্বর প্রশ্ন হচ্ছে কি? না, কাছে দূরে ছড়ানো রয়েছে– অপশন নাম্বার খ হচ্ছে রাইট আনসার, শিশুদের শব। শব বানানটা একটু ভুল হয়ে গেছে এখানে। আমি সেইজন্যে দুঃখিত, শব বানান হবে তালব্য শ ব, রাইট? এটা কিন্তু দন্ত্য শ ব কিন্তু হবে না। ওকে? এটা কিন্তু ভুল, শব বানান হবে তালব্য শ ব। ওকে? তোমরা একটু ঠিক করে নেবে, একটু কারেকশন করে নেবে।
চার নম্বর প্রশ্ন, আমরাও তবে এইভাবে– কি? অপশন নাম্বার গ হচ্ছে রাইট, মরতে পারি।
পাঁচ নম্বর MCQ হচ্ছে, আমাদের যা নেই তা হল– আমাদের কি নেই কবিতা অবলম্বনে আমরা জানি, যে সেখানে দেখানো হয়েছে কবি বলেছেন, আমাদের যা নেই সেটি হচ্ছে ইতিহাস, ওকে?
ছয় নম্বর MCQ হচ্ছে, এমনই ইতিহাস আছে যেখানে আমাদের– উত্তর হবে, চোখ মুখ ঢাকা। ওকে।
সাত নম্বর প্রশ্ন, আমরা যেখানে ফিরেছি তা হল– অপশন নাম্বার ক হচ্ছে রাইট আনসার, উত্তর হবে দোরে দোরে। ওকে।
আট নম্বর প্রশ্ন, আমাদের ঘর গেছে উড়ে, ছত্রটি কোন ঘটনার ইঙ্গিতবাহী? উত্তর হবে অপশন নাম্বার ক, উদ্বাস্তু জীবনের। ঠিক আছে? উদ্বাস্তু জীবনের ইঙ্গিতবাহী হচ্ছে অপশন নাম্বার ক হচ্ছে রাইট আনসার, উদ্বাস্তু জীবনের। কেন উদ্বাস্তু, কিসের জন্য উদ্বাস্তু, এই বিষয়টি জানতে গেলে পুরো কবিতাটা কিন্তু তোমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে। এই কবিতার অন্তরালে যে একটা গূঢ়ার্থ রয়েছে, কেন এই কবিতাটি ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে’ লেখা হয়েছে, কি কারণে কবি এইরকম আহ্বান জানাচ্ছেন, এই বিষয়টি তোমরা জানতে পারলে কিন্তু এর আনসারটি পেয়ে যাবে যে উদ্বাস্তু জীবনের যে কাহিনী পরিস্ফুটিত হয়েছে, উদ্বাস্তু হওয়ার যে ঘটনা এখানে আছে সেটা বুঝতে পারবে। তোমরা কমেন্ট করে জানাবে, তোমাদের যদি কবিতাটি বুঝতে অসুবিধা হয় তো কমেন্ট করে জানাবে, আমি কিন্তু কবিতাটি তোমাদের আলোচনা করে দেবো। যখন আলোচনা করব তখন যদি তোমরা কমেন্ট করো তাহলে অবশ্যই একটা আমরা ভিডিও আনবো ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ শঙ্খ ঘোষের লেখা যে কবিতাটি আছে, সেটি সুন্দরভাবে আলোচনা করে দেওয়া হবে, তারপর কিন্তু আলোচনাটি শুনলে আর কোনো জায়গাতে বুঝতে অসুবিধা হবে না, প্রত্যেকটি ডাউট কিন্তু ক্লিয়ার করে দেওয়া হবে, রাইট? ওকে। তো কমেন্ট করে জানাবে তোমরা।
ওকে, তো একটা বিষয়, এখনও অবধি অসুখী একজনের একটা প্রশ্ন ছিল, চার নম্বরের MCQ, এখনও অবধি কোনো কমেন্ট পাইনি। তোমরা চাইলে কিন্তু ডেসক্রিপশনে লিঙ্ক দেওয়া থাকবে, অসুখী একজন থেকে যে প্রশ্ন উত্তরগুলো দিয়েছি, সেখানে চার নাম্বারের MCQ-র আনসারটি তোমরা কিন্তু কমেন্ট করে জানাবে। ওই আনসারটি কিন্তু প্রত্যেক স্টুডেন্ট ভুল করে থাকে। ঠিক আছে? যদিও যেভাবে চারটি অপশন দিয়েছি, ওইভাবে যদি অপশন দেয় তাহলে কিন্তু প্রত্যেকেই ভুল করে থাকে। তো তোমরা ওই ভিডিওটি চেক করে ওই ভিডিওর নিচে কমেন্ট করে জানাবে, ওকে? আমি রাইট আনসার তোমাদের জানিয়ে দেবো, রাইট? ওকে।
নয় নম্বর প্রশ্ন হচ্ছে কিনা, আমাদের ডানপাশে ধস, এ ধস কিসের ইঙ্গিতবাহী? এরকম প্রশ্ন কিন্তু খুব ইম্পর্ট্যান্ট, ঠিক আছে? খুব ইম্পর্ট্যান্ট, ভিভিআই, ঠিক আছে? খুব ইম্পর্ট্যান্ট এরকম প্রশ্ন। সুতরাং ভালো করে তোমরা একটু দেখবে। যে, আমাদের ডানপাশে ধস, ধস কিসের ইঙ্গিতবাহী? ধস হচ্ছে সামাজিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিতবাহী, রাইট? এটা হবে আনসার। ওকে।
১০ নম্বর প্রশ্ন, আমাদের ইতিহাস নেই, যাদের ইতিহাস নেই, কাদের ইতিহাস নেই? না, আনসার হবে সাধারণ মানুষের ইতিহাস নেই। রাইট? উত্তর হবে সাধারণ মানুষের ইতিহাস নেই।
১১ নম্বর প্রশ্ন হচ্ছে কিনা যে আমরা ভিখিরি বারোমাস, উদ্ধৃতাংশে আমরা হলো– আমরা হলো কি? আমরা হচ্ছি না শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ। এখানে কবি এই আমরা বলতে শ্রমজীবী সাধারণ মানুষকে কিন্তু বুঝিয়েছেন, রাইট?
১২ নম্বর যে প্রশ্ন আছে, ১২ নম্বর প্রশ্নটা দেখো, কি লেখা আছে? না, কবিতাটিতে কোন প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে? অপশনগুলো আমরা একটু দেখে নিই, আনসার হবে কিনা, অপশনগুলো আমি এখানে একটু বলে দিই – স্বতন্ত্রতার, একতার, ইতিহাস লেখার, না হিমানীর বাঁধ ভাঙার? তাহলে উত্তর হয়ে যাবে কি? না কোন প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে? না একতার কথা বলা হয়েছে, রাইট? তাহলে এর সঠিক আনসার হবে অপশন নাম্বার খ, একতার। কেননা দেখো কবিতার লাইনেই আছে, আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি। মানে কিনা কবি কোথাও না কোথাও প্রত্যেক সাধারণ মানুষকে এক হতে বলেছেন, একতার কথা ইঙ্গিত দিয়েছেন এখানে। রাইট? তাহলে আনসার হয়ে যাবে কোন প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে? না একতার কথা বলা হয়েছে, রাইট? তাহলে সঠিক আনসার হবে অপশন নাম্বার খ, একতা।
MCQ QUESTION ANSWER:
১. পায়ে পায়ে যা থাকে, তা হল-
ক. কঠিন রাস্তা
খ. গভীর খাদ
গ. হিমানীর বাঁধ
ঘ. অসমান মেঠো পথ
(সঠিক উত্তর: গ)
২. গিরিখাদ রয়েছে—
ক. আমাদের উত্তরে
খ. আমাদের দক্ষিণে
গ. আমাদের বাঁয়ে
ঘ. আমাদের পশ্চিমে
(সঠিক উত্তর: গ)
৩. কাছে দূরে ছড়ানো রয়েছে
ক. ভেঙে পড়া গাছপালা
খ. শিশুদের শব
গ. ছোট বড় পাথর
ঘ. জীবজন্তুর মৃতদেহ
(সঠিক উত্তর: খ)
৪. আমরাও তবে এইভাবে এই—
ক. হাসতে পারি
খ. গাইতে পারি
গ. মরতে পারি
ঘ. খেলতে পারে
(সঠিক উত্তর: গ)
৫. আমাদের যা নেই তা হল—
ক. ভূগোল
খ. মানবিক সম্পর্ক
গ. ইতিহাস
ঘ. মূল্যবোধ
(সঠিক উত্তর: গ)
৬. এমনই ইতিহাস আছে যেখানে আমাদের—
ক. চোখ মুখ ঢাকা
খ. চোখ মুখ নেই
গ. সঠিক বক্তব্য নেই
ঘ. সঠিক চেহারায় নেই
(সঠিক উত্তর: ক)
৭. আমরা যেখানে ফিরেছি তা হল—
ক. দোরে দোরে
খ. বাড়িতে বাড়িতে
গ. দোকানে দোকানে
ঘ. শহরে-নগরে
(সঠিক উত্তর: ক)
৮. ‘আমাদের ঘর গেছে উড়ে’- ছত্রটি কোন ঘটনার ইঙ্গিতবাহী?
ক. উদ্বাস্তু জীবনের
খ. বন্যার
গ. ধ্বংসের
ঘ. কোনোটিই নয়।
(সঠিক উত্তর: ক)
৯. ‘আমাদের ডান পাশে ধস’-এ ধস কিসের ইঙ্গিতবাহী?
ক. সামাজিক অবক্ষয়ের
খ. কমজোরি ঘরবাড়ির
গ. দুর্বলদের দেহের
ঘ. সবকটি ঠিক।
(সঠিক উত্তর: ক)
১০. ‘আমাদের ইতিহাস নেই- যাদের ইতিহাস নেই—
ক. সাধারণ মানুষের
খ. কবিদের
গ. লেখকের
ঘ. ভারতবাসীর
(সঠিক উত্তর: ক)
১১. “আমরা ভিখিরি বারোমাস”-উদ্ধৃতাংশ আমরা হলো—
ক. শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ
খ. বাংলার মানুষ
গ. ভারতের জনগণ
ঘ. সবকটি ঠিক
(সঠিক উত্তর: ক)
১২. ‘কবিতাটিতে কোন প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে?
ক. স্বতন্ত্রতার
খ. একতার
গ. ইতিহাস লেখার
ঘ. হিমানীর বাঁধ ভাঙার
(সঠিক উত্তর: খ)
SAQ QUESTION ANSWER:
১). আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তর : ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। (২০০৪ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত)।
২). আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় ধস ও গিরিখাদ কোথায় আছে?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি জানিয়েছেন আমাদের ডান দিকে ধস ও বাম দিকে গিরিখাদ রয়েছে।
৩). আমাদের মাথার উপরে কি থাকে?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি লিখেছেন আমাদের মাথার উপরে থাকে বোমারু যা মৃত্যুর প্রতীক।
৪). ‘আমাদের ঘর গেছে উড়ে’- একথা বলার কারণ কী?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির লোভের কারণে আমাদের ঘর উড়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন।
৫). ‘ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে’- কাছে দূরে কি ছড়ানো রয়েছে?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় লিখেছেন কালাঙ্কিত প্রহরে দেখা যায় আমাদের কাছে দূরে শিশুর শব ছড়ানো রয়েছে।
৬). ‘আমরাও তবে এইভাবে’- এইভাবে বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি মনে করেন! আমরাও তবে এইভাবে এই মুহূর্তে হয়তো মরে যাব।
৭). ‘আমাদের পথ নেই’- কেন?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি বলেছেন আমাদের ডান পাশে ধস, বাঁয়ে গিরিখাদ। চারিদিকে ধ্বংসের চালচিত্র দেখে কবির মনে হয়েছে শিশুদের মৃত্যু যদি অবধারিত হয় তবে আমাদের সামনে বেঁচে থাকার কোনো পথ নেই।
৮). ‘আমাদের ইতিহাস নেই’- একথা বলার কারণ কি?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ নামাঙ্কিত কবিতায় কবি লিখেছেন আমাদের সামনে যে ইতিহাস লেখা আছে তা শুধুমাত্র সভ্যতাভিমানী পুঁজিবাদের ইতিহাস। আমাদের সাধারণ মানুষের কোনো ইতিহাস নেই।
৯). কবি কেন বলেছেন ‘এই মুহূর্তে মরে যাব নাকি’?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় সময়ের এক দুঃসহ কালবেলায় দাঁড়িয়ে কবির মনে হয়েছে এই মুহূর্তে হয়তো আমরাও মরে যাব। কেননা, আমাদের সামনে কোন পরিত্রাণের পথ নেই।
১০). ‘পৃথিবী হয়তো গেছে মরে’- পৃথিবী সম্পর্কে কবির এমন ধারণার কারণ কি?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ নামাঙ্কিত কবিতায় চারিদিকে অস্থিরতা, আশঙ্কা, হতাশা, প্রাণহীনতা অবস্থা দেখে কবির এমনটা ধারণা হয়েছে।
১১). ‘আমরা ভিখারী বারোমাস’- একথা বলার কারণ কি?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ নামাঙ্কিত কবিতায় অতিসাধারণ অভাবগ্রস্ত মানুষের যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি এবং আসন্ন মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কবি এই উক্তি করেছেন।
১২). ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় প্রাকৃতিক কোন চিত্রটি ফুটে উঠেছে?
উত্তর : কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ নামাঙ্কিত কবিতায় ডানপাশে ধস ও বামপাশে গিরিখাদ- এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক অবস্থানের চিত্র ফুটে উঠেছে।
৩ নম্বরের প্রশ্ন:
১). ‘আমাদের পথ নেই কোন’- পথ না থাকার কারণ কী?
২). ‘আমরাও তবে এইভাবে/ এই মুহূর্তে মরে যাব নাকি’- উক্তিটির তাৎপর্য লেখ?
৩). ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’- প্রথম স্তবক থেকেই বেঁধে থাকার কথা বলা হয়েছে কেন?
৪). ‘আমরা ফিরেছি দোরে দোরে’- কারা দোরে দোরে ফিরেছেন? তাদের দোরে দোরে ফেরার কারণ কি?
৫). ‘আমাদের ইতিহাস নেই’- কাদের ইতিহাস নেই? কবি কেন এই উক্তি করেছেন?
৫ নম্বরের প্রশ্ন:
১). ‘আমাদের শিশুদের শব/ ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে’- কোন প্রসঙ্গে এই উক্তি? এই উক্তিটির মধ্যে যে বহুমাত্রিক যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি ধরা পড়েছে তার স্বরূপ উন্মোচন করো।
২). আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি – কবিতায় কবির যে সমাজ ভাবনা প্রকাশ ঘটেছে তা নিজের ভাষায় লেখ।
৩). ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটির নামকরণ কতদূর সার্থক হয়েছে সে বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করো।